"Arunachal Pradesh" - The Land Of Rising Sun (Ep-3)
অরুনাচল প্রদেশ - উদীয়মান সূর্যের দেশ
মহাষ্টমীর দিন সকালে ঘুম ভেঙে দেখি চারিদিকে অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে। হোমস্টে থেকে বেড়িয়ে আসি সামনের বাগানের দিকে, ভোরের ঠান্ডা আমেজ সাথে বৃষ্টির সুবাস গায়ে মেখে কিছুক্ষন হোমস্টের মধ্যেই ঘোরাঘুরি করি। চারিদিকে গাছপালা, বিভিন্ন সুন্দর ফুলের সমাহার বাড়িটির চারিদিকে, যে যে কোনো চিরদুঃখি মানুষেরও মন ভালো হয়ে যাবে। শুধু তাই না, বাড়ির ভিতরটিও খুব সুন্দর সাজানো গোছানো। কিছু অল্পবয়সি স্থানীয় ছেলেমেয়েরাই এখানে অতিথিদের দেখাশুনার দায়িত্বে আছেন।
এদিকে বৃষ্টি থামার কোনো নাম নেই, দুরে মেঘগুলি পাহাড়ের ওপর এমনভাবে এসে বসেছে যে এত তাড়াতাড়ি তারা পালাবে বলে মনে হচ্ছে না। ড্রাইভার দাদাকেও জিজ্ঞাসা করলাম, তিনিও বললেন বৃষ্টি না থামলে কোথাও গিয়ে লাভ হবে না, ভালোভাবে ঘুরে দেখা যাবে না। আর আমার দলের লোকজনেরা তো ঠিকই করে নিয়েছেন যে আজকে rainy day পালন করবেন, হোটেলে থেকে কফি খেতে খেতে বাইরের দৃশ্য দেখবেন। অগত্যা আর কোনো উপায় না পেয়ে হাওয়াই চটি আর ছাতাকে সম্বল করে, হাতের মোবাইল ক্যামেরার ওপর ভরসা রেখে বেড়িয়ে পড়লাম পাড়া বেড়াতে। যতই বৃষ্টি আসুক, বন্যায় ভেসে যাক, আমি ওই চুপটি করে ঘরে বসে সময় কাটানোর মেয়ে নই। (নিজের বাড়িতে rainy day তে ঠিক যতটা ল্যাদ খাই বেড়াতে গেলে ঠিক ততটাই active হয়ে যাই)
তা হোমস্টে থেকে বেড়িয়ে কর্দমাক্ত এবরোখেবরো পথ দিয়ে হেঁটে চলেছি, জানিনা কোনদিকে যেতে হবে, নিজের মনের খেয়ালেই চলেছি। একটা জিনিস দেখে সত্যিই খুব অবাক লাগল যে এখানে চারপাশে শুধু ফুল আর ফুল। চারপাশের প্রত্যেকটি বাড়ি, পথের ধারে আমি শুধুই রঙ দেখছি, গোলাপি,কমলা,লাল,নিল,বেগুনি,হলুদ আরও কত। যেন প্রকৃতি ঢেলে দিয়েছে এখানে তার রঙের বাহার। দুর থেকে দিরাং নদী বয়ে চলেছে আওয়াজ পাচ্ছি। নদীর কাছে যাওয়ার রাস্তা খুঁজতে খুঁজতে কিছুদূর পৌঁছলাম যেখান থেকে পুরো দিরাং ভ্যালিটার সৌন্দর্য আমার সামনে চলে এল। আকাশের মেঘগুলি হাত ধরাধরি করে পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে আশ্রয় নিয়েছে আর নিচে সদ্য বৃষ্টির জলে পরিপূর্ণ সবুজে ঘেরা দিরাং ভ্যালি, তারই মাঝ বরাবর কলকল শব্দে বয়ে চলেছে দিরাং নদী। ভ্যালির চারদিকে ছরিয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোট বড় কুটির তারই মাঝে মাথা তুলে আছে অপরূপা দিরাং মনেষ্ট্রী।(যা দেখলাম তা বর্ণণা দেবার সাধ্যি আমার নেই, কল্পনাপ্রবণ মানুষেরা আশা করি নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে নেবেন)
ইতিমধ্যে বৃষ্টিটা একটু ধরেছে, প্রকৃতি মায়ের বোধকরি আমাদের উপর একটু দয়া হয়েছে। ঝটপট হোমস্টেতে ফিরে ready হয়ে নিলাম। সবাই একসাথে breakfast করে গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম দিরাং ভ্রমণে।
হোটেল থেকে সবাই প্রায় নদীর শব্দ পেয়েছে মানে কাছাকাছির মধ্যেই বয়ে চলেছে দিরাং নদী। তাই প্রথমেই ঠিক হল নদীর সাথে আলাপপর্ব সারা হবে। সেইমত আমরা নদীর কাছাকাছি একটি স্থানে পৌঁছলাম। এটি সেই কামেং নদী যা দিরাঙে এসে হয়ে উঠেছে দিরাং নদী। দুদিকে উঁচু পাহাড়ের মেলা আর তারই বুক দিয়ে দাপিয়ে বয়েছে এই নদী। নদী দেখতে এসে কিছুটা সাপে বর হল, সামনেই দেখতে পেলাম দূর্গাপূজার প্যান্ডেল, হ্যাঁ দিরাঙে দূর্গাপূজার প্যান্ডেল। মহাষ্টমীর দিন এই বিদেশে ঠাকুর দেখার সৌভাগ্য আর কতজনের হয় বলুন।
আবার গাড়ি চলতে শুরু করল, পৌঁছলাম দিরাং ডিজঙে বা ফোর্টে। 17 th century তে তৈরী এই ফোর্টটি বানানো হয়েছিল বিদেশি শত্রুর হাত থেকে বম্বডিলাকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে। সুসজ্জিত একটি কাঠের দরজা দিয়ে ঢুকে চোখে পড়ল পাথর দিয়ে তৈরী বিভিন্ন আকৃতির ঘর, আর একটি প্রার্থণাকেন্দ্র। এখানকার কিছু আদিবাসিদের বসবাস এই ঘরগুলিতে। তাদের সাথে কিছু সময় কাটিয়ে আমরা চললাম আমাদের পরবর্তী গন্তব্যে।
পৌঁছলাম একটি মনেষ্ট্রীতে, নতুন এটি, চোখে পড়ল এখনও কিছু অংশে তৈরীর কাজ চলছে। চারিদিকের সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
অবশেষে আমরা পৌঁছলাম সকালে দূর থেকে দেখা সেই মনেষ্ট্রীটিতে যার নাম দিরাং মনেষ্ট্রী বা Thupsung Dhargye Ling। বিশাল এলাকা জুড়ে পাহাড়ের এক কোলে রয়েছে এটি। বেশ অনেকগুলি সিঁড়ির ধাপ পেড়িয়ে পৌঁছলাম মনেষ্ট্রীটির সামনে। রকমারি ফুল দিয়ে সজ্জিত পথ দিয়ে আমরা মনেষ্ট্রীতে প্রবেশ করলাম। দেখলাম বুদ্ধ মূর্তির ঠিক সামনে রয়েছে দালাই লামার একটি চিত্র, বোঝা গেল ওই আসনেই এসে বসেছিলেন সেই মনিষি। মনেষ্ট্রী লাগোয়া রয়েছে একটি cafeteria। কিছুক্ষন সেখানে কফি খেতে খেতে দেখলাম দিরাং ভ্যালিটির ওপর রোদের লুকোচুরি খেলা, সে এক অপরূপ সৌন্দর্য।
এরপর চললাম hot water spring দর্শনে। যেখানে গাড়ি এসে দাঁড়ালো তার পাশ দিয়ে পাহাড়ের খাঁজে সিঁড়ি নেমে গেছে, বেশ খাড়াই। সে পথ ধরে প্রায় 10 মিনিট নামতে দেখতে পেলাম বামপাশ দিয়ে বয়ে চলেছে দিরাং নদী আর সামনেই একটি বাঁধানো পুষ্করীনি। সেই জলে কিছু অল্প বয়সি ছেলেপুলেরা দাপাদাপি করছে। জলে হাত দিয়ে দেখলাম এমন কিছু গরমও নয়,শুধু একটু ঠান্ডা কাটানো আর কি। কিছুটা অসন্তুষ্ট হলাম কারণ বেশ অনেকটাই খাড়াই নামতে হয়েছিল, তাও আবার সবজায়গায় সিঁড়িও নেই- পাহাড়ের খাঁজে পা ফেলে অত্যন্ত সাবধানে নামতে হয়েছিল, কষ্টটা বেকার গেল। তাই ঠিক করলাম কিছুক্ষন এই নদীর জলেই সময় কাটিয়ে যাওয়া যাবে। সেইমত নদীর কোলে কিছু সময় কাটিয়ে আবার ওই খাড়াই পথ ধরলাম। এদিকে আকাশ থেকে বারবার জানান দিচ্ছে যে এবার বাড়ি ফিরতে হবে। রোদের হাসি মুছে গিয়ে এখন কালো মেঘের চাদরে ঘিরে ফেলেছে দিরাং ভ্যালিটি। তাই তাড়াতাড়ি গাড়িতে উঠে রওনা দিলাম হোমস্টের উদ্দেশ্যে। যেতে যেতেই শুরু হল তুমুল বৃষ্টি অর্থাং আমাদের ঘোরার সময়সিমা আজকের মত শেষ। এইটুকু সময়ই প্রকৃতি আমাদের ভালোবেসে দিয়েছিল। তা এত বৃষ্টির তোড় যে গাড়ি থেকে নেমে হোমস্টে পর্যন্ত যেতেই অর্ধেক ভিজে গেলাম সবাই। তখন সবে দুপুর 1.30-2.00 টো, তাই lunch সেরে বাকি দিনটা হোমস্টেতেই কাটাতে হল।
এখানে দিনের বেশিরভাগ সময়ই current off থাকে যার জন্য আমাদের একটু নাজেহাল হতে হয়েছিল বটে তবু বলব প্রকৃতির কোলে এলে এরকম তুচ্ছ কিছু জিনিসকে ধরা একদম উচিত নয়।
যাইহোক আজকের পর্ব এইপর্যন্তই, কেমন লাগল অবশ্যই জানাবেন। পরের পর্বে আমরা দিরাং কে বিদায় জানিয়ে রওনা দেব তাওয়াং এর উদ্দেশ্যে। এই পর্বটির video রূপান্তরণ দেখতে চাইলে click করুন নিচের লিঙ্কগুলিতে।
ভুলত্রুটি মার্জনীয় 🙏 ধন্যবাদ।
এদিকে বৃষ্টি থামার কোনো নাম নেই, দুরে মেঘগুলি পাহাড়ের ওপর এমনভাবে এসে বসেছে যে এত তাড়াতাড়ি তারা পালাবে বলে মনে হচ্ছে না। ড্রাইভার দাদাকেও জিজ্ঞাসা করলাম, তিনিও বললেন বৃষ্টি না থামলে কোথাও গিয়ে লাভ হবে না, ভালোভাবে ঘুরে দেখা যাবে না। আর আমার দলের লোকজনেরা তো ঠিকই করে নিয়েছেন যে আজকে rainy day পালন করবেন, হোটেলে থেকে কফি খেতে খেতে বাইরের দৃশ্য দেখবেন। অগত্যা আর কোনো উপায় না পেয়ে হাওয়াই চটি আর ছাতাকে সম্বল করে, হাতের মোবাইল ক্যামেরার ওপর ভরসা রেখে বেড়িয়ে পড়লাম পাড়া বেড়াতে। যতই বৃষ্টি আসুক, বন্যায় ভেসে যাক, আমি ওই চুপটি করে ঘরে বসে সময় কাটানোর মেয়ে নই। (নিজের বাড়িতে rainy day তে ঠিক যতটা ল্যাদ খাই বেড়াতে গেলে ঠিক ততটাই active হয়ে যাই)
তা হোমস্টে থেকে বেড়িয়ে কর্দমাক্ত এবরোখেবরো পথ দিয়ে হেঁটে চলেছি, জানিনা কোনদিকে যেতে হবে, নিজের মনের খেয়ালেই চলেছি। একটা জিনিস দেখে সত্যিই খুব অবাক লাগল যে এখানে চারপাশে শুধু ফুল আর ফুল। চারপাশের প্রত্যেকটি বাড়ি, পথের ধারে আমি শুধুই রঙ দেখছি, গোলাপি,কমলা,লাল,নিল,বেগুনি,হলুদ আরও কত। যেন প্রকৃতি ঢেলে দিয়েছে এখানে তার রঙের বাহার। দুর থেকে দিরাং নদী বয়ে চলেছে আওয়াজ পাচ্ছি। নদীর কাছে যাওয়ার রাস্তা খুঁজতে খুঁজতে কিছুদূর পৌঁছলাম যেখান থেকে পুরো দিরাং ভ্যালিটার সৌন্দর্য আমার সামনে চলে এল। আকাশের মেঘগুলি হাত ধরাধরি করে পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে আশ্রয় নিয়েছে আর নিচে সদ্য বৃষ্টির জলে পরিপূর্ণ সবুজে ঘেরা দিরাং ভ্যালি, তারই মাঝ বরাবর কলকল শব্দে বয়ে চলেছে দিরাং নদী। ভ্যালির চারদিকে ছরিয়ে ছিটিয়ে থাকা ছোট বড় কুটির তারই মাঝে মাথা তুলে আছে অপরূপা দিরাং মনেষ্ট্রী।(যা দেখলাম তা বর্ণণা দেবার সাধ্যি আমার নেই, কল্পনাপ্রবণ মানুষেরা আশা করি নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে নেবেন)
ইতিমধ্যে বৃষ্টিটা একটু ধরেছে, প্রকৃতি মায়ের বোধকরি আমাদের উপর একটু দয়া হয়েছে। ঝটপট হোমস্টেতে ফিরে ready হয়ে নিলাম। সবাই একসাথে breakfast করে গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম দিরাং ভ্রমণে।
হোটেল থেকে সবাই প্রায় নদীর শব্দ পেয়েছে মানে কাছাকাছির মধ্যেই বয়ে চলেছে দিরাং নদী। তাই প্রথমেই ঠিক হল নদীর সাথে আলাপপর্ব সারা হবে। সেইমত আমরা নদীর কাছাকাছি একটি স্থানে পৌঁছলাম। এটি সেই কামেং নদী যা দিরাঙে এসে হয়ে উঠেছে দিরাং নদী। দুদিকে উঁচু পাহাড়ের মেলা আর তারই বুক দিয়ে দাপিয়ে বয়েছে এই নদী। নদী দেখতে এসে কিছুটা সাপে বর হল, সামনেই দেখতে পেলাম দূর্গাপূজার প্যান্ডেল, হ্যাঁ দিরাঙে দূর্গাপূজার প্যান্ডেল। মহাষ্টমীর দিন এই বিদেশে ঠাকুর দেখার সৌভাগ্য আর কতজনের হয় বলুন।
আবার গাড়ি চলতে শুরু করল, পৌঁছলাম দিরাং ডিজঙে বা ফোর্টে। 17 th century তে তৈরী এই ফোর্টটি বানানো হয়েছিল বিদেশি শত্রুর হাত থেকে বম্বডিলাকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে। সুসজ্জিত একটি কাঠের দরজা দিয়ে ঢুকে চোখে পড়ল পাথর দিয়ে তৈরী বিভিন্ন আকৃতির ঘর, আর একটি প্রার্থণাকেন্দ্র। এখানকার কিছু আদিবাসিদের বসবাস এই ঘরগুলিতে। তাদের সাথে কিছু সময় কাটিয়ে আমরা চললাম আমাদের পরবর্তী গন্তব্যে।
পৌঁছলাম একটি মনেষ্ট্রীতে, নতুন এটি, চোখে পড়ল এখনও কিছু অংশে তৈরীর কাজ চলছে। চারিদিকের সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
অবশেষে আমরা পৌঁছলাম সকালে দূর থেকে দেখা সেই মনেষ্ট্রীটিতে যার নাম দিরাং মনেষ্ট্রী বা Thupsung Dhargye Ling। বিশাল এলাকা জুড়ে পাহাড়ের এক কোলে রয়েছে এটি। বেশ অনেকগুলি সিঁড়ির ধাপ পেড়িয়ে পৌঁছলাম মনেষ্ট্রীটির সামনে। রকমারি ফুল দিয়ে সজ্জিত পথ দিয়ে আমরা মনেষ্ট্রীতে প্রবেশ করলাম। দেখলাম বুদ্ধ মূর্তির ঠিক সামনে রয়েছে দালাই লামার একটি চিত্র, বোঝা গেল ওই আসনেই এসে বসেছিলেন সেই মনিষি। মনেষ্ট্রী লাগোয়া রয়েছে একটি cafeteria। কিছুক্ষন সেখানে কফি খেতে খেতে দেখলাম দিরাং ভ্যালিটির ওপর রোদের লুকোচুরি খেলা, সে এক অপরূপ সৌন্দর্য।
এরপর চললাম hot water spring দর্শনে। যেখানে গাড়ি এসে দাঁড়ালো তার পাশ দিয়ে পাহাড়ের খাঁজে সিঁড়ি নেমে গেছে, বেশ খাড়াই। সে পথ ধরে প্রায় 10 মিনিট নামতে দেখতে পেলাম বামপাশ দিয়ে বয়ে চলেছে দিরাং নদী আর সামনেই একটি বাঁধানো পুষ্করীনি। সেই জলে কিছু অল্প বয়সি ছেলেপুলেরা দাপাদাপি করছে। জলে হাত দিয়ে দেখলাম এমন কিছু গরমও নয়,শুধু একটু ঠান্ডা কাটানো আর কি। কিছুটা অসন্তুষ্ট হলাম কারণ বেশ অনেকটাই খাড়াই নামতে হয়েছিল, তাও আবার সবজায়গায় সিঁড়িও নেই- পাহাড়ের খাঁজে পা ফেলে অত্যন্ত সাবধানে নামতে হয়েছিল, কষ্টটা বেকার গেল। তাই ঠিক করলাম কিছুক্ষন এই নদীর জলেই সময় কাটিয়ে যাওয়া যাবে। সেইমত নদীর কোলে কিছু সময় কাটিয়ে আবার ওই খাড়াই পথ ধরলাম। এদিকে আকাশ থেকে বারবার জানান দিচ্ছে যে এবার বাড়ি ফিরতে হবে। রোদের হাসি মুছে গিয়ে এখন কালো মেঘের চাদরে ঘিরে ফেলেছে দিরাং ভ্যালিটি। তাই তাড়াতাড়ি গাড়িতে উঠে রওনা দিলাম হোমস্টের উদ্দেশ্যে। যেতে যেতেই শুরু হল তুমুল বৃষ্টি অর্থাং আমাদের ঘোরার সময়সিমা আজকের মত শেষ। এইটুকু সময়ই প্রকৃতি আমাদের ভালোবেসে দিয়েছিল। তা এত বৃষ্টির তোড় যে গাড়ি থেকে নেমে হোমস্টে পর্যন্ত যেতেই অর্ধেক ভিজে গেলাম সবাই। তখন সবে দুপুর 1.30-2.00 টো, তাই lunch সেরে বাকি দিনটা হোমস্টেতেই কাটাতে হল।
এখানে দিনের বেশিরভাগ সময়ই current off থাকে যার জন্য আমাদের একটু নাজেহাল হতে হয়েছিল বটে তবু বলব প্রকৃতির কোলে এলে এরকম তুচ্ছ কিছু জিনিসকে ধরা একদম উচিত নয়।
যাইহোক আজকের পর্ব এইপর্যন্তই, কেমন লাগল অবশ্যই জানাবেন। পরের পর্বে আমরা দিরাং কে বিদায় জানিয়ে রওনা দেব তাওয়াং এর উদ্দেশ্যে। এই পর্বটির video রূপান্তরণ দেখতে চাইলে click করুন নিচের লিঙ্কগুলিতে।
ভুলত্রুটি মার্জনীয় 🙏 ধন্যবাদ।
Youtube video link :
1st episode : https://youtu.be/vI5yIxkgxvQ
2nd episode : https://youtu.be/aEq07n6t3jo
3rd episode : https://youtu.be/q7kUYzq_f54
1st episode : https://youtu.be/vI5yIxkgxvQ
2nd episode : https://youtu.be/aEq07n6t3jo
3rd episode : https://youtu.be/q7kUYzq_f54
#To_be_continued....













Comments
Post a Comment