"Arunachal Pradesh" - The Land Of Rising Sun (Ep-4)
অরুনাচল প্রদেশ - উদীয়মান সূর্যের দেশ
দিরাঙের দ্বিতীয়দিনের সকালে যখন ঘুম ভাঙল তখন সবে পুবদিগন্তে সূয্যি উঁকি দিচ্ছে। আগের দিনের বৃষ্টি বাদলার চিহ্নটুকু আকাশের কোনো কোণে নেই, সেখানে এখন ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘগুলি পুরো দিরাং ভ্যালি জুড়ে আপন মনে নেচে বেড়াচ্ছে। সকালে তৈরী হয়ে breakfast পর্ব মিটিয়ে হোমস্টে ছেড়ে বেরোব এরকম সময়ে হোমস্টের মালিক এসে আমাদেরকে তাদের বাগানের কিছু কিউই ফল উপহার দিয়ে গেলেন। তাদের বাগানে সেই ফলের গাছ দেখেছিলাম বটে কিন্তু সেই ফল যে কিভাবে খেতে হয় সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারনাই ছিল না। তাই সেই ভদ্রলোকের উপরই দায়িত্ব পড়ল আমাদের এই ফলটির ব্যাপারে যথাযথ তথ্য দেওয়ার। বাড়ি ফিরে খেয়েছিলাম, খুবই অন্যরকম এক স্বাদ, না টক না মিস্টি। এখানকার বাজারে খোঁজ করলেও আশা করি পাওয়া যাবে।
সকাল 9টা নাগাদ দিরাংকে বিদায় জানিয়ে আমরা বেড়িয়ে পড়লাম তাওয়াঙের উদ্দেশ্যে। অরুণাচলের সব জায়গাগুলির মধ্যে তাওয়াং অন্যতম তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য। প্রায় 140 কিমি পথ যাত্রা করতে হবে সেখানে পৌঁছতে গেলে। শুধু তাই নয়, দিরাঙের উচ্চতা যেখানে 4900 ft সেখান থেকে উঠব আমরা তাওয়াঙে যার উচ্চতা প্রায় 10,000ft। মাঝে পথে টপকাতে হবে অনেক উঁচু নিচু পাহাড় তার মধ্যে অন্যতম হল সেলা পাস যার উচ্চতা প্রায় 13000ft। তাই গাড়িতে কিছু গরম পোশাক, উচ্চতাজনিত বা শ্বাসকষ্টজনিত কিছু ওষুধ রেখে দেওয়া বাঞ্ছনীয়।
দিরাং নদীটি কিছু পথ এগিয়ে দিয়ে আমাদের বিদায় জানিয়ে নিজের রাস্তায় চলে গেল। কিছুদূর এসে গাড়ি একটি ধাবায় দাঁড়ালো চা ব্রেকের জন্য। আবার চলতে শুরু করলাম, বুঝতে পারলাম সূয্যিমামা আসতে আসতে মেঘের মাঝে ঢুকে যাচ্ছে। একসময় দূর থেকে দেখতে পাওয়া মেঘগুলি গাড়িকে ঘিরে ধরল। সামনের একফুট দুরত্ব দেখাও হয়ে উঠছিল এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেই মেঘের মধ্যে দিয়ে চলতে চলতে আমরা একসময় তাওয়াং গেটের কাছে এসে পৌঁছলাম। সুসজ্জিত গেটের উপর Welcome to Tawang লেখা। একটু এগিয়েই দেখতে পেলাম সুবিস্তির্ণ সেলা লেক। গাড়ি থেকে নামতেই বরফশীতল কিছু ঠান্ডা হাওয়া ঘিরে ধরল আমাদের। চারিদিকে উঁচু উঁচু পাহাড় আর তার মাঝে এত্তবড় একটি লেক যেন সে পাহাড়ের এই সৌন্দর্যকেই প্রতিফলিত করছে।
এই লেক নিয়ে একটি কাহিনীও আছে, 1962 তে India-China Warর সময় Jaswant Singh Rawat নামে আমাদের এক সেনা এই সেলা লেকের কাছেই একা চিনা সৈন্যদের সাথে লড়াই করেছিলেন। তাকে সমস্তরকম গোপন information, খাবার দিয়ে সাহায্য করতেন এক আদিবাসি মেয়ে যার নাম ছিল সেলা। একা প্রায় 350 চিনা সৈন্যকে নিজে হাতে হত্যা করে সেই অসীম সাহসি সেনা মৃত্যুবরণ করেছিলেন। শোনা যায় তার সেই মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে সেই সেলা মেয়েটিও লেকের পাশের পাহাড়ের ওপর থেকে লেকের জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। হয়ত তার নামেই পরবর্তীকালে এই লেকের নাম দেওয়া হয়েছে।
লেকের চারিদিকে উচ্চতার কারণে বড় কোনো গাছগাছালি নেই, শুধু গুল্ম জাতীয় কিছু গাছ লক্ষ করলাম। এখানে অক্সিজেনের পরিমানও খুব কম, তাই এখানে দৌড়াদৌড়ি,লাফালাফি করা বারণ।
সেলা লেকের চারপাশে কিছুক্ষন সময় কাটিয়ে আমরা আবার যাত্রা শুরু করলাম। যত পথ এগোচ্ছে প্রাকৃতিক দৃশ্য সুন্দর থেকে আরও সুন্দর হতে চলেছে। কিছু পথ পেড়িয়ে পৌঁছলাম জাসওয়ান্তগড়ে। শহিদ সেনা Jaswant Singh Rawat এর স্মরণে এটি একটি war memorial. ভিতরে দেখতে পেলাম তার মূর্তী, তার ছবি, তার ব্যাবহার করা কিছু জিনিসপত্র সংরক্ষন করে রাখা হয়েছে। টানা 72 ঘন্টা ধরে একা লড়াই করে মৃত্যুবরণ করেছিলেন তিনি, সেই ঘটনার ওপর 2019 র জানুয়রিতে একটি movie তৈরী হয়েছিল-
"72 Hours: Martyr Who Never Died"। সকলে অবশ্যই একবার দেখে নেবেন।
Jaswantgarh এর পাশেই আর্মি দাদাদের পরিচালিত একটি ধাবা আছে, সেখান থেকে ধোসা, আলুবড়া খেয়ে আমরা আবার যাত্রা শুরু করলাম। এবার আসতে আসতে উচ্চতা কমতে শুরু করল, আবার মেঘের আড়াল থেকে সূর্যকিরণ দেখা গেল। কিছু পথ পেড়িয়ে আমরা পৌঁছলাম জাং বা নুরানাং জলপ্রপাতের কাছে। দূর থেকে দেখতে পেলাম পাহাড়ের খাঁজ দিয়ে নেমে আসছে শ্বেতশুভ্র সেই ধারা, নামতে গিয়ে পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে কিছু জলকণা ফেনায় রূপান্তরিত হচ্ছে। প্রায় 100 মিটার উচ্চতা থেকে সেই জল পড়ছে নিচের নুরানাং নদীতে, সে এক অসম্ভব সুন্দর নৈস্বর্গিক দৃশ্য। অনেক সিনেমার শুটিং হয়েছে এই জলপ্রপাতের ওপর। কোয়েলা সিনেমায় শাহরুখ খান কেও দেখা গিয়েছিল এই জলপ্রপাতের ওপর বসে বাঁশি বাজাতে। অনেকে বলেন নুরা নামের এক মংপা আদিবাসি মেয়ে Jaswant Singh কে সাহায্য করেছিল তার থেকেই এই জলপ্রপাত ও নীচের নদীটির নাম নুরানাং হয়েছে।
জলপ্রপাতের একদম কাছ পর্যন্ত গাড়ি যায় না, trek করে কিছুটা যেতে হয় কিন্তু সেই সময় ধস পড়ার কারণে আমাদের দূর থেকেই দেখতে হয়েছে।
এরপর আবার গাড়ি চলতে শুরু করল। কিছু সময়ের মধ্যেই আমরা তাওয়াং টাউনে প্রবেশ করলাম। আর সঙ্গে সঙ্গে একটা দারুণ জিনিস চোখে পড়ল। কিছুক্ষন আগে বৃষ্টি হওয়ার কারণে এখানকার রাস্তা ভিজে। এখন আকাশে মেঘের ফাঁকে ফাঁকে সূর্যকিরণ দেখা যাচ্ছে। আর তার মাঝেই সৌভাগ্যক্রমে দেখা মিলল একটি রামধনুর। যেন সে আমাদের তাওয়াঙে আসার খবর শুনে সেজেগুজে বসে আছে দেখা করবে বলে। পাহাড়ে এত সুন্দর রামধনু আমি এর আগে আর কক্ষনো দেখিনি। হয়ত ছবিতে ওত ভালো আসেনি তবে স্বচক্ষে যা দেখেছি তা অসাধারণ।
অবশেষে আমরা বিকাল 5টার দিকে পৌঁছলাম আমাদের হোমস্টেতে নাম - Come inn Homestay. এক ভদ্রমহিলা এগিয়ে এসে আমাদের স্বাগত জানাল, দেখলাম এখানেও বাড়ির আনাচে কানাচে ফুল দিয়ে সাজানো। আমাদের ঘরটিও খুব সুন্দর, জানলা খুলতেই পুরো তাওয়াং টাউন চোখের সামনে দেখা যাচ্ছে। এরপর খাওয়াদওয়া, গল্পগুজব করে সেদিনের সমাপ্তি হল।
আজকের পর্বের সমাপ্তিও এখানেই করছি, পরের পর্বে আমরা তাওয়াং টাউন ঘুরতে যাব, দেখব ভারতের সবথেকে বড় ও পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম তাওয়াং মনেস্ট্রীকে।
আমাদের এই যাত্রার একটি video রূপান্তরণও তৈরী করেছি। ইচ্ছে হলে নীচের এই লিঙ্কে ক্লিক করে দেখতে পারেন আর কেমন লাগল আমাকে অবশ্যই জানাবেন।
সকাল 9টা নাগাদ দিরাংকে বিদায় জানিয়ে আমরা বেড়িয়ে পড়লাম তাওয়াঙের উদ্দেশ্যে। অরুণাচলের সব জায়গাগুলির মধ্যে তাওয়াং অন্যতম তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য। প্রায় 140 কিমি পথ যাত্রা করতে হবে সেখানে পৌঁছতে গেলে। শুধু তাই নয়, দিরাঙের উচ্চতা যেখানে 4900 ft সেখান থেকে উঠব আমরা তাওয়াঙে যার উচ্চতা প্রায় 10,000ft। মাঝে পথে টপকাতে হবে অনেক উঁচু নিচু পাহাড় তার মধ্যে অন্যতম হল সেলা পাস যার উচ্চতা প্রায় 13000ft। তাই গাড়িতে কিছু গরম পোশাক, উচ্চতাজনিত বা শ্বাসকষ্টজনিত কিছু ওষুধ রেখে দেওয়া বাঞ্ছনীয়।
দিরাং নদীটি কিছু পথ এগিয়ে দিয়ে আমাদের বিদায় জানিয়ে নিজের রাস্তায় চলে গেল। কিছুদূর এসে গাড়ি একটি ধাবায় দাঁড়ালো চা ব্রেকের জন্য। আবার চলতে শুরু করলাম, বুঝতে পারলাম সূয্যিমামা আসতে আসতে মেঘের মাঝে ঢুকে যাচ্ছে। একসময় দূর থেকে দেখতে পাওয়া মেঘগুলি গাড়িকে ঘিরে ধরল। সামনের একফুট দুরত্ব দেখাও হয়ে উঠছিল এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেই মেঘের মধ্যে দিয়ে চলতে চলতে আমরা একসময় তাওয়াং গেটের কাছে এসে পৌঁছলাম। সুসজ্জিত গেটের উপর Welcome to Tawang লেখা। একটু এগিয়েই দেখতে পেলাম সুবিস্তির্ণ সেলা লেক। গাড়ি থেকে নামতেই বরফশীতল কিছু ঠান্ডা হাওয়া ঘিরে ধরল আমাদের। চারিদিকে উঁচু উঁচু পাহাড় আর তার মাঝে এত্তবড় একটি লেক যেন সে পাহাড়ের এই সৌন্দর্যকেই প্রতিফলিত করছে।
এই লেক নিয়ে একটি কাহিনীও আছে, 1962 তে India-China Warর সময় Jaswant Singh Rawat নামে আমাদের এক সেনা এই সেলা লেকের কাছেই একা চিনা সৈন্যদের সাথে লড়াই করেছিলেন। তাকে সমস্তরকম গোপন information, খাবার দিয়ে সাহায্য করতেন এক আদিবাসি মেয়ে যার নাম ছিল সেলা। একা প্রায় 350 চিনা সৈন্যকে নিজে হাতে হত্যা করে সেই অসীম সাহসি সেনা মৃত্যুবরণ করেছিলেন। শোনা যায় তার সেই মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে সেই সেলা মেয়েটিও লেকের পাশের পাহাড়ের ওপর থেকে লেকের জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। হয়ত তার নামেই পরবর্তীকালে এই লেকের নাম দেওয়া হয়েছে।
লেকের চারিদিকে উচ্চতার কারণে বড় কোনো গাছগাছালি নেই, শুধু গুল্ম জাতীয় কিছু গাছ লক্ষ করলাম। এখানে অক্সিজেনের পরিমানও খুব কম, তাই এখানে দৌড়াদৌড়ি,লাফালাফি করা বারণ।
সেলা লেকের চারপাশে কিছুক্ষন সময় কাটিয়ে আমরা আবার যাত্রা শুরু করলাম। যত পথ এগোচ্ছে প্রাকৃতিক দৃশ্য সুন্দর থেকে আরও সুন্দর হতে চলেছে। কিছু পথ পেড়িয়ে পৌঁছলাম জাসওয়ান্তগড়ে। শহিদ সেনা Jaswant Singh Rawat এর স্মরণে এটি একটি war memorial. ভিতরে দেখতে পেলাম তার মূর্তী, তার ছবি, তার ব্যাবহার করা কিছু জিনিসপত্র সংরক্ষন করে রাখা হয়েছে। টানা 72 ঘন্টা ধরে একা লড়াই করে মৃত্যুবরণ করেছিলেন তিনি, সেই ঘটনার ওপর 2019 র জানুয়রিতে একটি movie তৈরী হয়েছিল-
"72 Hours: Martyr Who Never Died"। সকলে অবশ্যই একবার দেখে নেবেন।
Jaswantgarh এর পাশেই আর্মি দাদাদের পরিচালিত একটি ধাবা আছে, সেখান থেকে ধোসা, আলুবড়া খেয়ে আমরা আবার যাত্রা শুরু করলাম। এবার আসতে আসতে উচ্চতা কমতে শুরু করল, আবার মেঘের আড়াল থেকে সূর্যকিরণ দেখা গেল। কিছু পথ পেড়িয়ে আমরা পৌঁছলাম জাং বা নুরানাং জলপ্রপাতের কাছে। দূর থেকে দেখতে পেলাম পাহাড়ের খাঁজ দিয়ে নেমে আসছে শ্বেতশুভ্র সেই ধারা, নামতে গিয়ে পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা খেয়ে কিছু জলকণা ফেনায় রূপান্তরিত হচ্ছে। প্রায় 100 মিটার উচ্চতা থেকে সেই জল পড়ছে নিচের নুরানাং নদীতে, সে এক অসম্ভব সুন্দর নৈস্বর্গিক দৃশ্য। অনেক সিনেমার শুটিং হয়েছে এই জলপ্রপাতের ওপর। কোয়েলা সিনেমায় শাহরুখ খান কেও দেখা গিয়েছিল এই জলপ্রপাতের ওপর বসে বাঁশি বাজাতে। অনেকে বলেন নুরা নামের এক মংপা আদিবাসি মেয়ে Jaswant Singh কে সাহায্য করেছিল তার থেকেই এই জলপ্রপাত ও নীচের নদীটির নাম নুরানাং হয়েছে।
জলপ্রপাতের একদম কাছ পর্যন্ত গাড়ি যায় না, trek করে কিছুটা যেতে হয় কিন্তু সেই সময় ধস পড়ার কারণে আমাদের দূর থেকেই দেখতে হয়েছে।
এরপর আবার গাড়ি চলতে শুরু করল। কিছু সময়ের মধ্যেই আমরা তাওয়াং টাউনে প্রবেশ করলাম। আর সঙ্গে সঙ্গে একটা দারুণ জিনিস চোখে পড়ল। কিছুক্ষন আগে বৃষ্টি হওয়ার কারণে এখানকার রাস্তা ভিজে। এখন আকাশে মেঘের ফাঁকে ফাঁকে সূর্যকিরণ দেখা যাচ্ছে। আর তার মাঝেই সৌভাগ্যক্রমে দেখা মিলল একটি রামধনুর। যেন সে আমাদের তাওয়াঙে আসার খবর শুনে সেজেগুজে বসে আছে দেখা করবে বলে। পাহাড়ে এত সুন্দর রামধনু আমি এর আগে আর কক্ষনো দেখিনি। হয়ত ছবিতে ওত ভালো আসেনি তবে স্বচক্ষে যা দেখেছি তা অসাধারণ।
অবশেষে আমরা বিকাল 5টার দিকে পৌঁছলাম আমাদের হোমস্টেতে নাম - Come inn Homestay. এক ভদ্রমহিলা এগিয়ে এসে আমাদের স্বাগত জানাল, দেখলাম এখানেও বাড়ির আনাচে কানাচে ফুল দিয়ে সাজানো। আমাদের ঘরটিও খুব সুন্দর, জানলা খুলতেই পুরো তাওয়াং টাউন চোখের সামনে দেখা যাচ্ছে। এরপর খাওয়াদওয়া, গল্পগুজব করে সেদিনের সমাপ্তি হল।
আজকের পর্বের সমাপ্তিও এখানেই করছি, পরের পর্বে আমরা তাওয়াং টাউন ঘুরতে যাব, দেখব ভারতের সবথেকে বড় ও পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম তাওয়াং মনেস্ট্রীকে।
আমাদের এই যাত্রার একটি video রূপান্তরণও তৈরী করেছি। ইচ্ছে হলে নীচের এই লিঙ্কে ক্লিক করে দেখতে পারেন আর কেমন লাগল আমাকে অবশ্যই জানাবেন।
ধন্যবাদ 🙏 ভুলত্রুটি মার্জনীয়।




Comments
Post a Comment